RRB Section Controller Reading Comprehension (RC) Test-1 in Bengali
Instructions
- Total time: 10 minutes
- One question appears at a time.
- Scoring: +1 for correct, −1/3 for wrong.
- Auto-submit when time ends.
- Test will expand to Full Screen Mode when you start.
Time Left: 10:00
বিশ্ব ইতিহাসের প্রতিটি যুগে মানুষের জীবনে বড় রকমের পরিবর্তন এসেছে নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কারের মাধ্যমে। আগুনের ব্যবহার, চাকা, কৃষির আবিষ্কার থেকে শুরু করে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্ত – প্রতিটি ধাপে প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাত্রা, চিন্তাভাবনা এবং সমাজের কাঠামো বদলে দিয়েছে।
বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি শুধুমাত্র একটি সুবিধা নয়, বরং এটি মানুষের প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি এখন আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মকে সহজতর করছে। এর ফলে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে এক নতুন ধরণের সামাজিক বাস্তবতা।
তবে প্রযুক্তির এই প্রভাব একমুখী নয়। এর যেমন ইতিবাচক দিক আছে, তেমনি রয়েছে কিছু নেতিবাচক দিকও। প্রযুক্তি আমাদের সময় সাশ্রয় করে, তথ্যের সহজ প্রবাহ ঘটায়, শিক্ষার সুযোগ বাড়ায় – কিন্তু এর ফলে একাকীত্ব, আসক্তি, গোপনীয়তার হানী এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে থাকতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার করে অনেক সময় বাস্তব জীবনের সামাজিক দক্ষতা হারিয়ে ফেলে।
কর্মক্ষেত্রেও প্রযুক্তি বড় পরিবর্তন এনেছে। অনেক পেশা এখন অটোমেশনের কারণে বিলুপ্তির মুখে, আবার নতুন অনেক পেশার জন্মও হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ডেটা অ্যানালিটিক্সে দক্ষ ব্যক্তিদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এর মানে হল, কর্মজীবনের ধারাও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে।
তবে প্রযুক্তি নির্ভরতা যেমন সুবিধা নিয়ে আসে, তেমনি এটি একটি বৈষম্যের দিকও তৈরি করে। উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। শহরের মানুষেরা যেখানে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও স্মার্ট ডিভাইসের সুবিধা পাচ্ছে, গ্রামাঞ্চলে অনেকেই এখনও ন্যূনতম ডিজিটাল সংযোগ থেকে বঞ্চিত।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি, যেখানে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দিকগুলোও বিবেচনা করা। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি শিশুদের প্রযুক্তি আসক্তি থেকেও রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে, প্রযুক্তিকে এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যাতে তা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
প্রযুক্তির লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষকে ক্ষমতায়ন করা, মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও জরুরি। প্রযুক্তির উপর অন্ধ নির্ভরতা নয়, বরং সচেতন ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারই সমাজকে টেকসই উন্নয়নের পথে নিয়ে যেতে পারে।)
বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি শুধুমাত্র একটি সুবিধা নয়, বরং এটি মানুষের প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি এখন আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মকে সহজতর করছে। এর ফলে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে এক নতুন ধরণের সামাজিক বাস্তবতা।
তবে প্রযুক্তির এই প্রভাব একমুখী নয়। এর যেমন ইতিবাচক দিক আছে, তেমনি রয়েছে কিছু নেতিবাচক দিকও। প্রযুক্তি আমাদের সময় সাশ্রয় করে, তথ্যের সহজ প্রবাহ ঘটায়, শিক্ষার সুযোগ বাড়ায় – কিন্তু এর ফলে একাকীত্ব, আসক্তি, গোপনীয়তার হানী এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে থাকতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার করে অনেক সময় বাস্তব জীবনের সামাজিক দক্ষতা হারিয়ে ফেলে।
কর্মক্ষেত্রেও প্রযুক্তি বড় পরিবর্তন এনেছে। অনেক পেশা এখন অটোমেশনের কারণে বিলুপ্তির মুখে, আবার নতুন অনেক পেশার জন্মও হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ডেটা অ্যানালিটিক্সে দক্ষ ব্যক্তিদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এর মানে হল, কর্মজীবনের ধারাও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে।
তবে প্রযুক্তি নির্ভরতা যেমন সুবিধা নিয়ে আসে, তেমনি এটি একটি বৈষম্যের দিকও তৈরি করে। উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। শহরের মানুষেরা যেখানে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও স্মার্ট ডিভাইসের সুবিধা পাচ্ছে, গ্রামাঞ্চলে অনেকেই এখনও ন্যূনতম ডিজিটাল সংযোগ থেকে বঞ্চিত।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি, যেখানে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দিকগুলোও বিবেচনা করা। শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি শিশুদের প্রযুক্তি আসক্তি থেকেও রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে, প্রযুক্তিকে এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যাতে তা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
প্রযুক্তির লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষকে ক্ষমতায়ন করা, মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও জরুরি। প্রযুক্তির উপর অন্ধ নির্ভরতা নয়, বরং সচেতন ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারই সমাজকে টেকসই উন্নয়নের পথে নিয়ে যেতে পারে।)
Result & Analysis
Score:
Accuracy:
Time Taken:
